বলছিলাম না ভালো আছি?

আসলেই ভালো আছি, নাকি শুধু মনে হয়ে ভালো আছি – ঠিক বুঝতে পারছি না। ওইযে দৌড়াদৌড়ি করে কিছুটা ভালো লাগতে শুরু করেছিল…আসল ঘটনা হলে সময়মতো আর ঠিকঠাক না খেয়ে খেয়ে গ্যাস্ট্রিকের মতো কিছু একটা বাধিয়ে বসেছিলাম। কিছু খেলেই মনে হতো বুকটা ফেটে যাচ্ছে বা খাবারটাই গলা দিয়ে নামার সময় বুকটা জ্বলে যেত… ওষুধ খেলে তারপর মীল খেলে এ সমস্যা হতো না। কিন্তু কতো আর খাওয়া যায়! অন্য উপায় বার করতে গিয়ে দেখলাম রেগুলার ব্যায়াম করতে হবে। জগিং-এর থেকে ভালো কিছু হয় না। প্রায় ২ মাস হতে চলল। ভালোই ছিলাম। ঘন ঘন স্মল মীল। মানে ৩ ঘন্টা পর পর। আজ বিকেলেরটাতে দেরী হয়ে গেল ঘন্টা দুয়েক। বাইরে বেড়িয়েছিলাম। কাছাকাছি মামার বাসা। ভাবলাম একে বারে না খাওয়ার চাইতে কিছু একটা খাওয়া ভালো। পোলাউ আর চিকেন রান্না হয়েছে। পোলাউ খাওয়া যাবে না। চিকেনটাও যেভাবে রান্না হয়েছে তাতে… কিন্তু কি আর করার। একটা রুটি ভেজে চিকেন দিয়েই খেলাম।

ঘন্টা খানেকের মধ্যে রেজান্ট। হাল্কা ঢেকুর ওঠা শুরু হলো। সিম্পল গ্যাস রিফ্লাক্স। বাসায় এসে একটু আদা খাওয়াতে কমল। ওয়াটার তো আছেই।

হেই, রাজ জাগলে কিন্তু গ্যাস্ট্রিক জাতীয় অবস্থা আরো খারাপ হয়। ঘুমিয়ে পড়ি। ঘটনাবহুল দিন।

Leave a Reply